April 5, 2026, 2:39 am
শিরোনাম:
রুক্সী আহমেদ নব্বই দশকের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। ‘অর্থকণ্ঠ’ ও ‘বিজনেস আমেরিকা’র যৌথ উদ্যোগে স্বপ্নজয়ী নারী সম্মাননা-২০২৬ পেলেন ২৮ নারী ‘আমরা নারী’, সিওক হেল্থকেয়ার ও জেলা পুলিশ, নারায়ণগঞ্জ-এর আয়োজনে ক্যান্সার সচেতনতা সেমিনার অনুষ্ঠিত ঈদুল ফিতরে ৩৪৬ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৫১ জন নিহত ১০৪৬ জন আহত: যাত্রী কল্যাণ সমিতি প্রশংসায় ভাসছে চক্র ২ সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীর সাথে চীনের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ নীলু আমার মায়ের নাম” কাব্যগ্রন্থটির প্রকাশনা উৎসব: গাঙচিল ঢাকা মিরপুর কার্যালয়ে মহান স্বাধীনতা স্মরণে অনুষ্ঠিত সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়। আমরা প্রত্যেকে প্রত্যেকের জায়গা থেকে স্লোগান তুলবো তামাককে না বলি, জীবনকে হ্যাঁ বলি- সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

ভূ-স্বর্গ কাশ্মির নিয়ে আমার একটা বড় স্বপ্ন আছে শেখ দেলোয়ার হোসেন, চলচ্চিত্র প্রযোজক

Reporter Name

ভূ-স্বর্গ কাশ্মির নিয়ে আমার একটা বড় স্বপ্ন আছে
শেখ দেলোয়ার হোসেন, চলচ্চিত্র প্রযোজক

সংস্কৃতি জগতের টানে চলচ্চিত্রে এসেছিলেন প্রযোজক শেখ দেলোয়ার হোসেন। শৈশব থেকেই সংস্কৃতিতে বিশেষ দুর্বলতা ছিল, মনে মনে স্বপ্নের জাল বুনেছিলেন একদিন তিনি চলচ্চিত্র নির্মাণের সূতিকাগার হিসেবে পরিচিত এফডিসিতে যাবেন ছবি বানাবেন। তার সেই স্বপ্ন পূরণ হলো ২০১০ সালে। মেসার্স এস. এম জিতু কথাচিত্রের ব্যানারে এনটিভি আয়োজিত সুপারহিরো-সুপারহিরোইনের সেরা জুটি শম্পা ও শাহেদ চৌধুরীকে নিয়ে শেখ দেলোয়ার হোসেন প্রথম প্রযোজনা করেন “মাটির পিঞ্জিরা” নামক একটি সামাজিক গল্পের ছায়াছবি। অত্যান্ত পরিশীলিত এবং সুষ্ঠ ঘরানার ছবি ছিল। শাহ নেওয়াজ শানু পরিচালিত মাটির পিন্জিরা প্রযোজক শেখ দেলোয়ার হোসেনকে একটি কাঙ্খিত সম্মানের জায়গায় পৌঁছে দেয়। যদিও তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারেন নি। তিনি ছবির ব্যাপক প্রচারণা চালিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি সফল হতে পারেননি। কারণ সেই সময় দেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা, রানাপ্লাজা ধস, সমানভাবে সিনেমা হল বন্ধের পায়তারা চলচ্চিত্র ব্যবসায় প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়।
তারপরও প্রযোজক শেখ দেলোয়ার হোসেনকে চলচ্চিত্র শিল্প থেকে দুরে রাখতে পারেনি। মাটির পিঞ্জিরার পর আর কোনো ছবি নির্মাণ না করলেও এ জগতে টিকে থাকার জন্য বিশাল ব্যয়ে এডিটিং হাউজ খুলেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত হাউজে ঢাকার চলচ্চিত্রের উল্লেখযোগ্য ছবির কাজ সম্পাদিত করে মুক্তি পেয়েছে। এটা প্রযোজক শেখ দেলোয়ার হোসেনের জন্য একটা সফলতা।
বর্তমানে ছবি প্রযোজনায় না আসলেও নাটক প্রযোজনা করেছেন। ইতিমধ্যে তিনি প্রায় ৪/৫টি নাটক প্রযোজনা করেছেন। এর মধ্যে ধারাবাহিক ”ঘরের কথা পরের কথা” নাটকটি ১৫ পর্বের পুরো কাজ সম্পন্ন করেছেন। এখনো সম্প্রচারে যায়নি। এরপর ”সিআইডি টুয়েন্টি ফোর” নামক নাটক শেষ করেছেন। আরও বেশ কয়েকটি নাটকের কাজ শেষ করেছেন।
প্রযোজক শেখ দেলোয়ার হোসেন বলেন, দেশের পরিস্থিতি ভালো না। ছবি মুক্তি দিলে চালান ওঠে না। যদি অল্প পরিমান লোকসান হতো তারপরও ছবি বানাইতাম। কিন্তু বিনিয়োগকৃত অর্থ পুরোটায় লোকসান হয়। তাই নতুন প্রযোজনায় সাহস পায় না। তবে ভূ-স্বর্গ কাশ্মির নিয়ে আমার একটা বড় স্বপ্ন আছে। সরকার থেকে অনুমতি পেলে জুম্মু কাশ্মির নিয়ে একটা ছবি বানাবো। যার ৯০ ভাগ শুটিং হবে সেখানে। ছবির প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ইচ্ছা আছে আগামী বছর কাজ শুরু করবো।
এখন সিনেমা হলে গিয়ে ছবি দেখেন না প্রযোজক শেখ দেলোয়ার হোসেন। তবে নিয়মিত এফডিসিতে যান। তার বিশ্বাস সিনেমা ব্যবসা আবার আগের মত ফিরে আসবে। তিনি এবার ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত ”বরবাদ” সিনেমার ব্যবসা উদাহরণ দিয়ে বলেন, এ ছবি অতীতের সব রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছে। আশা করা যাচ্ছে আগামীতে ভালো ছবির ব্যবসা হবে। তবে ভারতীয় সিরিয়ালের কারণে আমাদের সিনেমা ব্যবসায় ধস নেমেছে। ভালো ছবি হলে সিরিয়ালও টিকবে না। এই জন্য আমাদের ভালো সিনেমা বেশি বেশি নির্মাণ করতে হবে।
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের সন্তান প্রযোজক শেখ দেলোয়ার হোসেনের জন্ম ১৯৬৪ সালের ৫ জুন। তিনি একজন আউলিয়াভক্ত মানুষ। সিনেমা প্রযোজনার পাশাপাশি শেখ দেলোয়ার হোসেন পদ্মা ওয়েল কোম্পানী প্যাক পয়েন্ট ডিলার এন্ড এজেন্সি। এছাড়া তিনি মেসার্স এস. এম জিতু ট্রান্সপোর্ট এবং মেসার্স এস. এম জিতু এন্টারপ্রাইজের সত্বাধিকারী।