October 23, 2026, 7:13 pm
শিরোনাম:
যশোরে এক্স টাইলস অ্যান্ড বাথওয়্যারের নতুন রিটেইল শোরুম উদ্বোধন COP31 সামনে রেখে নগর জলবায়ু সহনশীলতা ও ন্যায্য রূপান্তরে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বাংলাদেশে আলফা স্টোর চালু করেছে অনার দশজন তরুণ চেঞ্জমেকারকে সম্মানিত করলো জেসিআই বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজেরই সম্পদ। তাদের জীবন মানউন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে -সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বাংলাদেশ বেতার এর সাবেক আলোক চিত্র শিল্পী ফটো সাংবাদিক লুৎফর রহমানের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী দারাজের ১০.১০ শপিং ফেস্টে প্রি-পেমেন্ট ভাউচার, ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার ও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বড় ছাড় ফ্ল্যাশ সেলে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ, হট ডিলে সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ ছাড় এবং ৬৪ জেলায় নির্বাচিত পণ্যে ফ্রি ডেলিভারি বিশ্ব হার্ট দিবস ও পপুলার ক্যাথল্যাবের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন ঝংকার ললিতা কলা একাডেমীর ৫৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ঝংকার ললিতা কলা একাডেমীর ৫৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ বিকাশে ৭০ মিলিয়ন ডলারের ‘গ্রিন প্রকল্প’ চুক্তি স্বাক্ষর   

Reporter Name

 

 

জলবায়ু সহনশীল কৃষি, পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ উন্নয়ন ও পুষ্টি খাতে সমন্বিত অগ্রগতি আনতে ‘Growth for Climate Resilient and Environmental Entrepreneurship and Nutrition (GREEN)’ প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের সঙ্গে সাবসিডিয়ারি ঋণ ও অনুদান চুক্তি স্বাক্ষর করেছে পিকেএসএফ।

আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে পিকেএসএফ-এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আকন্দ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং অর্থ বিভাগের পক্ষে স্বাক্ষর করেন যুগ্ম সচিব মোছাঃ নাজনীন সুলতানা।

এ প্রকল্পে বাংলাদেশ সরকারের মাধ্যমে ৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন করবে আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (ইফাদ)। প্রকল্পটি ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত দেশব্যাপী বাস্তবায়িত হবে। দারিদ্র্য প্রবণতা, জলবায়ু ঝুঁকি ও কৃষি সম্ভাবনার ভিত্তিতে দেশের কিছু অঞ্চলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ এ প্রকল্পের আওতায় আসবে। এর মধ্যে থাকবে দরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষক, নারী ও যুব উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র কৃষি উদ্যোক্তা, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পরিবার এবং ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।

প্রকল্পের আওতায় জলবায়ু সহনশীল ও পরিবেশবান্ধব খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা, অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক সেবা সম্প্রসারণ এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। পাশাপাশি সৃজনশীল অর্থনীতিতে অবদান রাখা, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, জলবায়ু সহনশীল কৃষির বিস্তার, গ্রামীণ উদ্যোক্তাদের আয় বৃদ্ধি এবং টেকসই উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।