October 23, 2026, 6:44 pm
শিরোনাম:
যশোরে এক্স টাইলস অ্যান্ড বাথওয়্যারের নতুন রিটেইল শোরুম উদ্বোধন COP31 সামনে রেখে নগর জলবায়ু সহনশীলতা ও ন্যায্য রূপান্তরে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বাংলাদেশে আলফা স্টোর চালু করেছে অনার দশজন তরুণ চেঞ্জমেকারকে সম্মানিত করলো জেসিআই বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজেরই সম্পদ। তাদের জীবন মানউন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে -সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বাংলাদেশ বেতার এর সাবেক আলোক চিত্র শিল্পী ফটো সাংবাদিক লুৎফর রহমানের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী দারাজের ১০.১০ শপিং ফেস্টে প্রি-পেমেন্ট ভাউচার, ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার ও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বড় ছাড় ফ্ল্যাশ সেলে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ, হট ডিলে সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ ছাড় এবং ৬৪ জেলায় নির্বাচিত পণ্যে ফ্রি ডেলিভারি বিশ্ব হার্ট দিবস ও পপুলার ক্যাথল্যাবের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন ঝংকার ললিতা কলা একাডেমীর ৫৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ঝংকার ললিতা কলা একাডেমীর ৫৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

সেবক সংগঠন কর্তৃক জুনিয়র রোড সেফটি স্কুল প্রোগ্রাম

Reporter Name

 

দেশ ও মানুষের কল্যাণে, সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজটমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর কর্তৃক অনুমোদিত, অরাজনৈতিক, অলাভজনক ও স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন “সেবক”-এর উদ্যোগে স্কুল ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তার সাথে সড়ক ও যানবাহন ব্যবহার সম্পর্কিত সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় অদ্য ২৭/০৯/২০২৬ ইং তারিখ, রোজ রবিবার, সকাল ১০ ঘটিকায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, রোড নং-১৩, ব্লক-এ, ঢাকাস্থ ফোকাস স্কুল প্রাঙ্গণে।

উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মনসুর আহমেদ চৌধুরী, চেয়ারপারসন, ট্রাস্টি বোর্ড, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মো. আব্দুল বারী, মিডিয়া অ্যাডভাইজার(বসুন্ধরা গ্রুপ) বসুন্ধরা, ঢাকা; নূরজাহান মুক্তা, সিইও, ফোকাস স্কুল ঢাকা। বসুন্ধরা,ঢাকা; জাহানারা বেগম, হেড অব স্কুল, ফোকাস স্কুল ঢাকা,বসুন্ধরা, ঢাকা এবং মুন মুন শিরিয়া, ভাইস প্রিন্সিপাল, ফোকাস স্কুল ঢাকা, বসুন্ধরা, ঢাকা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী বিপুল, সিনিয়র উপদেষ্টা, সেবক সংগঠন ও সদস্য, ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ। সঞ্চালনা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করেন খান মো. বাবুল, প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সিনিয়র প্রশিক্ষক, সেবক সংগঠন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তাঁর বক্তৃতায় বলেন, “এই ধরনের প্রশিক্ষণ বাংলাদেশের প্রতিটি স্কুলে করা অত্যন্ত প্রয়োজন। সড়ক দুর্ঘটনা রোধকল্পে সরকারি-বেসরকারিভাবে এ যাবৎ যতগুলো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে, তার মধ্যে সেবক-এর এই স্কুল প্রোগ্রামটি সবচাইতে বেশি কার্যকর বলে আমি মনে করি। সেবক যে ২২টি বিষয়ের ওপর ছাত্রছাত্রীদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে, এই বিষয়গুলো সকলের জানা থাকলে সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার আর কোনো সম্ভাবনা থাকবে না বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। ওরাই আগামী দিনে গাড়ির মালিক হবে, ওরাই হবে যাত্রী, পথচারী অথবা চালক। ওরাই গড়বে সড়ক দুর্ঘটনা ও যানজটমুক্ত বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ।”

বিশেষ অতিথি জনাব মো. আব্দুল বারী বলেন, “সেবক সংগঠন তাঁর নিজস্ব অর্থায়নে যে প্রকল্প চালু করেছে, তা অতি দ্রুত সম্প্রসারণ করা বা দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া সেবক-এর পক্ষে কঠিন এবং বহু বছরের সময় লাগবে। সেবক সংগঠনের এই প্রোগ্রামটি যতদ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়, ততই আমাদের দেশের জন্য মঙ্গল। সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ সঠিকভাবে সড়ক ও যানবাহনের ব্যবহার না জানা। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই বিষয়ে আমরা অজ্ঞ। অতএব, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় প্রোগ্রামটি দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়া একান্ত প্রয়োজন বলে আমি মনে করি।”

বিশেষ অতিথি নূরজাহান মুক্তা বলেন, “সেবক সংগঠন আজ আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। সেবক যে বিষয়গুলো আমাদের বাচ্চাদের শেখালো, এর মধ্যে অনেকগুলোই আমরা জানতাম, তবে বিস্তারিতভাবে জানতাম না, অনেক কিছুই আমাদের অজানা ছিল। আজ আমরা বুঝতে পারলাম, দামি গাড়ি কেনার আগে গাড়ি ও সড়কের সঠিক ব্যবহার জানা জরুরি। বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকে সড়ক ও যানবাহনের সঠিক ব্যবহার সম্পর্কে শিক্ষা দিতে পারলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেক কমে যাবে। আমাদের সন্তানেরা সড়কে চলাচল করবে নিরাপদে, নিশ্চিন্তে— এতে কোনো সন্দেহ নেই। আমি এবং আমার স্কুলের পক্ষ থেকে সেবক সংগঠনকে ধন্যবাদ জানাই।”

হেড অব স্কুল জাহানারা বেগম এবং ভাইস প্রিন্সিপাল মুন মুন শিরিয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রশিক্ষণ কর্মশালার বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন এবং শিক্ষার্থীদের সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ড. জাহিদ আহমেদ চৌধুরী বিপুল বলেন, “আমি সেবক সংগঠনের জন্মলগ্ন থেকে উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। রোড সেফটি নিয়ে সেবক-এর কার্যক্রমগুলো আমাকে মুগ্ধ করেছে। সেবক সংগঠনে আন্তরিকতা, সততা ও সহযোগিতার কোনো ঘাটতি নেই। সেবক সদস্যরা তাঁদের নিজস্ব অর্থায়নে এ পর্যন্ত নয় হাজার মোটরগাড়ি চালককে বিনামূল্যে ডিফেনসিভ ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ দিয়েছে, তাদের মধ্যে দুর্ঘটনার হার শূন্য। করোনা মহামারি, বন্যা ও গণঅভ্যুত্থানে সেবক-এর ভূমিকা ছিল অপরিসীম। আমি মনে করি, সেবক সংগঠনের পরিকল্পনা ও মডিউল অনুযায়ী ডিফেনসিভ ড্রাইভিং এবং জুনিয়র রোড সেফটি প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন করতে পারলে সড়ক দুর্ঘটনা অস্তিত্বহীন হয়ে যাবে।”