দেশের চলচ্চিত্র শিল্প, সংস্কৃতি, সামাজিক উন্নয়ন এবং মানবসেবামূলক কার্যক্রমে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সম্পর্ক উন্নয়নের লক্ষ্যে রাজধানীর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএফডিসি)-এ এক সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে বিশেষ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএফডিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি-এর সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা নিউ মেগাসিটি (ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫-এ১)-এর চার্টার প্রেসিডেন্ট লায়ন জি. এম. হাফিজুর রহমান এমজেএফ এবং বিশিষ্ট সমাজসেবক, লায়ন নেতা ও লায়ন খান আকতারুজ্জামান এমজেএফ।
সৌজন্য সাক্ষাৎকালে দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের বিকাশ, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উন্নয়ন, তরুণ প্রজন্মের সৃজনশীলতা বিকাশ, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং মানবকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনায় দেশের উন্নয়ন ও ইতিবাচক সামাজিক পরিবর্তনে সরকারি প্রতিষ্ঠান, সাংস্কৃতিক অঙ্গন এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সমন্বিত উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের অগ্রগতি, আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন উদ্যোগ সম্পর্কে আলোকপাত করেন। তিনি সংস্কৃতি ও সৃজনশীল শিল্পের বিকাশে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎ শেষে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। উভয় পক্ষই ভবিষ্যতে সমাজসেবা, সাংস্কৃতিক উন্নয়ন এবং মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রমে সহযোগিতার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, লায়ন খান আকতারুজ্জামান এমজেএফ বাংলা একাডেমির আজীবন সদস্য। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ লায়ন্স ফাউন্ডেশন, উদ্যোক্তা ক্লাব ফাউন্ডেশন, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট, খুলনা ডায়াবেটিক সমিতি, বাংলাদেশ সিনিয়র সিটিজেনস ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, বাংলাদেশ স্কাউট গাইড ফেলোশিপ, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ফোরাম অব বাংলাদেশ (আইবিএফবি) এবং খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সম্মানিত সদস্য হিসেবে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ব্যবসায়িক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় দেশের সাংস্কৃতিক অগ্রযাত্রা, সামাজিক উন্নয়ন এবং মানবসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।