October 23, 2026, 7:49 pm
শিরোনাম:
যশোরে এক্স টাইলস অ্যান্ড বাথওয়্যারের নতুন রিটেইল শোরুম উদ্বোধন COP31 সামনে রেখে নগর জলবায়ু সহনশীলতা ও ন্যায্য রূপান্তরে সমন্বিত উদ্যোগের আহ্বান বাংলাদেশে আলফা স্টোর চালু করেছে অনার দশজন তরুণ চেঞ্জমেকারকে সম্মানিত করলো জেসিআই বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজেরই সম্পদ। তাদের জীবন মানউন্নয়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে -সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বাংলাদেশ বেতার এর সাবেক আলোক চিত্র শিল্পী ফটো সাংবাদিক লুৎফর রহমানের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী দারাজের ১০.১০ শপিং ফেস্টে প্রি-পেমেন্ট ভাউচার, ব্র্যান্ড রাশ আওয়ার ও বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বড় ছাড় ফ্ল্যাশ সেলে সর্বোচ্চ ৮০ শতাংশ, হট ডিলে সর্বোচ্চ ৭৫ শতাংশ ছাড় এবং ৬৪ জেলায় নির্বাচিত পণ্যে ফ্রি ডেলিভারি বিশ্ব হার্ট দিবস ও পপুলার ক্যাথল্যাবের প্রথম বর্ষপূর্তি উদযাপন ঝংকার ললিতা কলা একাডেমীর ৫৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন ঝংকার ললিতা কলা একাডেমীর ৫৯ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন

স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে- সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

Reporter Name

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডাঃ এজেডএম জাহিদ হোসেন, এমপি বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এদেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। স্বাধীনতার পর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্য সেবা দিতে হলে সব ধরনের চিকিৎসা ব্যবস্থাকেই গুরুত্ব দিতে হবে। কারণ সবাই সব ধরনের চিকিৎসা পায় না, আবার একটি ব্যবস্থার মাধ্যমে সব মানুষের কাছে সেবা পৌঁছানো সম্ভব নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন। এ জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এদেশের বিপুল সংখ্যক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকল্পে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা ব্যবস্থাকে বৈজ্ঞানিক ও আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে ব্যবস্থা প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
তিনি বলেন,
এদেশের ১৮০ মিলিয়ন মানুষ। এই বেশিরভাগ জনসংখ্যা কোননা কোনভাবে এই চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর উপর নির্ভরশীল যা আমাদের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ রুপে ব্যবহৃত হচ্ছে। তিনি এলোপ্যাথির পাশাপাশি বাংলাদেশে প্রচলিত চার ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতির মধ্যে এই তিন ধরনের চিকিৎসা সেবা দিয়ে মানুষের মনে বিশ্বস্ততার জায়গা করে নিতে গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আজ বুধবার ঢাকায় ফার্মগেটের কেআইবি-তে ইউনানী আয়ুর্বেদিক গ্রাজুয়েট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আগড্যাব ) আয়োজিত ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠনে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ভূমিকা’শীর্ষক কর্মশালা ও চিকিৎসক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

কর্মশালা ও চিকিৎসক সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক জনাব শফিকুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হোমিও ও দেশজ চিকিৎসার পরিচালক ডাঃ ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব জনাব রফিকুল ইসলাম, দেশের প্রখ্যাত ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আগড্যাব এর সভাপতি ডাঃ মির্জা লুৎফুর রহমান লিটন। স্বাগত বক্তব্য এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আগড্যাব এর মহাসচিব ডাঃ আমিনুল বারী কানন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রচলিত এলোপ্যাথির পাশাপাশি ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক—এই চার পদ্ধতির সবারই নিজস্ব ক্ষেত্র থেকে অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে। তবে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিকের তুলনায় দেশে হোমিওপ্যাথির প্রচলন বর্তমানে বেশি। মানুষ এখন হারবাল মেডিসিনের প্রতিও উৎসাহিত হচ্ছে এবং হামদর্দ এখনো সুনামের সাথে কাজ করে যাচ্ছে।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, এদেশের মানুষের প্রতি তাদের কোনো দায়বদ্ধতা ছিল না। বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচির মত অনেক ইতিবাচক উদ্যোগ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় শুরু হয়েছিল। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (EPI) তারই একটি উদাহরণ। কিন্তু বিগত সরকারের সময়ে অবহেলা কারণে আজ হামের মত রোগ উদ্বেগজনক আকারে দেখা দিয়েছে। শিশুদের মৃত্যুর হৃদয় বিদারক দৃশ্য আমরা অনেক বছর পর দেখলাম। এগুলো প্রতিরোধযোগ্য ছিল। যথাসময়ে সঠিক পদক্ষেপ নিলে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি সবার জন্য প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা উন্মুক্ত করার তাগিদ দেন। তিনি বলেন, আমি মনে করি এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের আরও উৎকর্ষ সাধন প্রয়োজন। আরও গবেষণা হওয়া উচিত, স্নাতকোত্তর শিক্ষা সম্প্রসারণ করা উচিত এবং এর পরিধি বাড়ানো উচিত। গবেষণার মাধ্যমে যদি এই চিকিৎসা ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়ানো যায় তাহলে মানুষের আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।
আমরা একটি মানবিক রাষ্ট্র গড়তে চাই। যেখানে সবার সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত হবে । আগামী প্রজন্ম যেন সুস্থ, কর্মক্ষম এবং মাদকমুক্ত হয়ে গড়ে ওঠে- এটাই আমাদের লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য অর্জনে আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। আপনারা সরকারের স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতে পাশে থাকবেন। আমরাও আপনাদের পাশে থাকবো এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।